প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ৩১, ২০২৬, ৬:৩২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১৩, ২০২৫, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
“খুনী-চাঁদাবাজরা দলের পরিচয় দিলেও দল তাদের দায় নেবে না”-ইয়াসের খান চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক:- সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক উত্তাপের প্রতিক্রিয়ায় ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, সোহাগ হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে নিয়ে যে অশ্লীল ভাষায় স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, তার ফলাফল দেশের জন্য ভয়াবহ হবে। তার মতে, "অশ্লীলতা জন্ম দেয় অশ্লীলতার! অশ্লীলতা+অশ্লীলতা= ভয়ংকর পরিনতিঃ দেশের জন্য, জনগণের জন্য।"
ইয়াসের খান চৌধুরী তাঁর নিজস্ব ফেসবুক পেজ ভেরিফাইড আইডিতে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "ব্যবসা এবং সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে এই সকল খুনী-চাঁদাবাজরা দলের পরিচয় দেয়। দল তাদের দায় নিবে না! কখনও নেয়নি! নেওয়া উচিত না!" [২] তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কোনো অপরাধীর দায় বিএনপি নেবে না। যারা দলের নাম ব্যবহার করে অপকর্মে লিপ্ত হয়, তারা দলের কেউ নয়।
দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো দুষ্কৃতকারীর অপরাধের দায় দল নেবে না এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ইয়াসের খান চৌধুরী তার বিবৃতিতে আরও বলেন, যারা "বাশের চেয়ে কঞ্চি বড়" হতে চাইছে এবং উস্কানিমূলক ও অশ্রাব্য স্লোগান দিচ্ছে, তাদের এই কর্মকাণ্ড দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি বলেন, "হে নালায়েকরা- বন্ধ করো অস্ত্রের ঝন ঝনানী! তোমাদের এই সকল কর্মকান্ডে খুশি হবে তারা যারা দেশটাকে জঙ্গি বানিয়ে বিদেশে দুর্নাম করাতে চায়-বন্ধ করাতে চায় রাজনীতি ও নির্বাচন!"
তিনি জোর দিয়ে বলেন, কুরুচিপূর্ণ ও নোংরা ভাষা বিএনপির পারিবারিক বা দলীয় সংস্কৃতি নয়। যারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে, তারা দেশের ও জনগণের শত্রু। তিনি এই ধরনের বিভেদ সৃষ্টিকারী ও হিংসাত্মক রাজনীতি পরিহার করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
ইয়াসের খান চৌধুরী তাঁর নিজস্ব ফেসবুক পেজ ভেরিফাইড আইডিতে যে বিবৃতি দিয়েছেন তা হুবুহু নিম্নে তুলে ধরা হলো-
সোহাগ সাহেবের খুনে সমগ্র দেশবাসীর সাথে আমিও মর্মাহত, স্তম্ভিত, বাকরুদ্ধ! মসজিদে ঈমাম হত্যা এবং খুলনায় এক ব্যক্তিকে গুলি করে মেরে ফেলার খবরেও আমি মর্মাহত। তাদের হত্যায় বিএনপি কে জড়ানো যাচ্ছে না বিধায় ঈমাম সাহেব ও খুলনার হত্যার খবর বেশি প্রচার না হওয়ার একটি কারণ!
খুনী "মহিন-রবিন-মনির-টিটু-অপুদের" মত পতিতালয়ে জন্ম ও বেড়ে উঠা মানুষের চেহারায় অমানুষেরা নিজেকে বিএনপি বা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পরিচয় দিলেই "দলের লোক" হয়ে যায় না। ব্যবসা এবং সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে এই সকল খুনী- চাঁদাবাজরা দলের পরিচয় দেয়। দল তাদের দায় নিবে না! কখনও নেয়নি! নেওয়া উচিত না! তারা কোনো দলের হয় না। তারা হয় নিজের। তারা মানে না কোনো আইন। তারা মানে না "ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়" স্লোগান। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেই তারা শুধু বলবে "মানি না মানবো না"।
সোহাগ সাহেবের খুনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয়কে নিয়ে যে অশ্লীল ভাষায় স্লোগান দেয়া হচ্ছে তার ফলাফল খারাপ হবে এবং দেশের জনগণ মেনে নিবে না অনেক খারাপ হবে। অসহনি সংকেতের মত খারাপ! দেশের জন্য খারাপ। আপনার আমার জন্য খারাপ!!যাদের উস্কানিতে বা ছত্রছায়ায় এই অশ্লীল স্লোগান দিচ্ছো তাদের ক্লিয়ার একটা কথা বলতে চাই, অশ্লীলতা কিন্তু আমরাও পারি। কিন্তু দেখাই না বা করি না। কারণ অশ্রাব্য নোংরা ভাষা আমাদের পরিবার আমাদের শেখায়নি। দল ও গ্রহণ করে না! অশ্লীলতা জন্ম দেয় অশ্লীলতার! অশ্লীলতা+অশ্লীলতা= ভয়ংকর পরিনতিঃ দেশের জন্য, জনগণের জন্য। কাজেই "বাশের চেয়ে কঞ্চি বড়" হওয়া ঠিক না। বন্ধ করো, বন্ধ করো অশ্লীলতা-অশ্রাব্য স্লোগান।
হে নালায়েকরা- বন্ধ করো অস্ত্রের ঝন ঝনানী! তোমাদের এই সকল কর্মকান্ডে খুশি হবে তারা যারা দেশটাকে জঙ্গি বানিয়ে বিদেশে দুর্নাম করাতে চায়-বন্ধ করাতে চায় রাজনীতি ও নির্বাচন!
ইয়াসের খান চৌধুরী।
Copyright © 2025 Norsundanews24.com . All rights reserved.