আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ: ভুয়া এনটিআরসিএ সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মেরদী ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) আমিরুন্নেসা-এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। তার এমপিও ইনডেক্স বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি চাকরিকালীন সময়ে সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা সরকারকে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৯ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ৩১ মার্চ কাজী শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি আমিরুন্নেসার এনটিআরসিএ সনদ জাল ও ভুয়া হওয়ার অভিযোগ দাখিল করেন। পরে অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক (রক্ষণ) মো. আসাদুজ্জামানকে।
তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর অধিদপ্তর তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আমিরুন্নেসার ইনডেক্স বাতিলের পাশাপাশি চাকরির সময় সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা সরকারকে ফেরত দিতে হবে।
এ ঘটনায় শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ভুয়া সনদ ব্যবহার করে নিয়োগ গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এনটিআরসিএর ভুয়া সনদ ব্যবহার করে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর অংশ হিসেবেই পাকুন্দিয়ার এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
![]()

