সাংবাদিকের কলম কোনো দলের কাছে বিক্রি হওয়ার জন্য নয়—সত্য, ন্যায় ও জনগণের কথা বলার জন্য।
কেউ একটি দলের সমর্থন করেন, কেউ অন্য দলের; আবার কেউ কোনো দলেরই সমর্থক নন। কিন্তু তাই বলে সাংবাদিকতার অধিকার, নিবন্ধন, সুযোগ-সুবিধা কিংবা সম্মানের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয় দেখে বৈষম্য করা যাবে না।
যে সাংবাদিক সত্যের পক্ষে কথা বলেন, যে অনলাইন পত্রিকা জনগণের কথা তুলে ধরে, যে ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেল সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করে—যোগ্যতা থাকলে তাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
⚠️ একদলীয় সাংবাদিকতা যেমন গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক, তেমনি প্রতিহিংসার সাংবাদিকতাও সমাজের জন্য বিষফোঁড়া।
আজ আপনি ক্ষমতায় আছেন বলে ভিন্নমতের সাংবাদিককে বঞ্চিত করবেন—মনে রাখবেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। সময় বদলায়, ক্ষমতার পালাবদল হয়; কিন্তু আপনার তৈরি করা বৈষম্যের দৃষ্টান্ত একদিন আপনার দিকেই ফিরে আসতে পারে।
আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে সাংবাদিকের আগে তার দলীয় পরিচয় দেখা হবে।আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে সাংবাদিকের পরিচয় হবে তার সততা, যোগ্যতা, সাহস ও সত্য বলার শক্তি।
প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না।প্রতিহিংসার সাংবাদিকতাও চাই না।একদলীয় গণমাধ্যম চাই না।চাই স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বৈষম্যহীন সাংবাদিকতা।
সাংবাদিকের কলম থামিয়ে নয়—কলমকে স্বাধীন করেই একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হবে।
🇧🇩 সত্যের পক্ষে যে কলম, সে কলমের কোনো দল নেই—তার দল জনগণ, তার শক্তি সত্য।
— মোঃ ওসমান গনিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকযুব অধিকার পরিষদ, ময়মনসিংহ জেলা