অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূরুল হক তার বসতবাড়ির সামনের ৩০ শতাংশ জমিতে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন। একই এলাকার আঃ ছাত্তার ও তার পুত্র মোঃ সেলিম মিয়ার সাথে নূরুল হকের দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা চলছে। ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার রাতে বিবাদীরা ৪-৫ জন সহযোগীকে নিয়ে বেআইনিভাবে তার পুকুরে প্রবেশ করে জাল দিয়ে প্রায় ৫ মণ মাছ ধরে নিয়ে যায়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা।
নূরুল হক জানান, প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলে মাছ ধরার শব্দ পেয়ে তিনি বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এসময় অভিযুক্তরা মাছ ধরার জাল ফেলে রেখে চলে যায়। পরে তার চিৎকারে ভাই একরামুলসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে আসামিরা মাছ নিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা কালাম, দুলাল ও হাদিকুলসহ আরও অনেকে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ থাকলেও এভাবে মাছ চুরির ঘটনায় তারা হতবাক। এদিকে, অভিযুক্তের স্বজন জেসমিন আক্তারের পক্ষ থেকেও আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে নানা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তার চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, এটি জমি সংক্রান্ত বিরোধের একটি অংশ মাত্র।
নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, “মাছ চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
![]()

