নিজস্ব প্রতিবেদক: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মাটি ও মানুষের নেতা হিসাবে কাজ করতে চান তারুণ্যদীপ্ত যুবদল নেতা মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল। তিনি ৪নং চন্ডীপাশা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, নিরাপদ. জুয়া, মাদক এবং দুর্নীতিমুক্ত আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি এখন স্থানীয় জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে এক নতুন স্বপ্ন নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চান।
নান্দাইল উপজেলার ৪নং চন্ডিপাশা ইউনিয়নের বাহের বানাইলের কৃতি সন্তান কামরুজ্জামান রাসেল বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল তৃণমূল থেকে। তিনি নান্দাইল উপজেলা ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়া তিনি শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ ছাত্রদলের প্রথম বর্ষের সহ-সভাপতি এবং চণ্ডীপাশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি নেত্রকোনা সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বিগত সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৫টি মামলা দায়ের করা হয়। ওয়ান ইলেভেনের সময় তিনি দীর্ঘ ৯ মাস ১৫ দিন কারাবরণ করেন। তবুও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি এই লড়াকু নেতা।
কামরুজ্জামান রাসেল তিনি তরুণ যুবসমাজকে নিয়ে তাঁর তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে চন্ডীপাশা ইউনিয়নে জুয়া, মাদক এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ করতে চান। তিনি মনে করেন, যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস ও মোবাইল আসক্তি থেকে রক্ষা করতে হলে খেলার মাঠের বিকল্প নেই।
এছাড়া বেকারত্ব দূরীকরণে তিনি নারী ও যুবকদের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং হাটবাজারের আধুনিকায়নে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান। সরকারি সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়, সেজন্য বর্তমান সরকারের মাননীয় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর উন্নয়নের অংশীদার হতে চান।
পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে ও হাটবাজারে পাহারার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এছাড়া সাধারণ মানুষের ছোটখাটো বিবাদ নিরসনে গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে হয়রানিমুক্ত বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
এ বিষয়ে মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল বলেন, “আমি মানুষের কল্যাণে সারাজীবন কাজ করতে চাই। দীর্ঘ সময় জেল-জুলুম সহ্য করেছি কেবল মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। সুযোগ পেলে আমি চন্ডীপাশাকে একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে উপহার দেব, যেখানে থাকবে না কোনো ভয়, মাদক বা দুর্নীতি।”

