শাহজাহান সাজু, নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর হতে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খাল পুনঃখননের কাজ প্রায় শেষের দিকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত ৭০ লক্ষ ৮৫ হাজার ১ শত ৩১ টাকা ব্যয়ে ইজিপিপি কর্মসূচি আওতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খালটির পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সৈয়দপুর হতে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত ২.৩৬০ কিলোমিটার খননকৃত খালটির গাংগাটিয়া বাজারের ক্ষুদিরাম রবি দাসের বাড়ি সংলগ্ন স্থানটিতে খালের উপর গড়ে উঠেছিল বেশ কিছু দোকানপাট তারমধ্যে কয়েকটি দোকান ছিল পাকা ভবন। খাল খনন কাজের প্রয়োজনে ভেঙে ফেলা হয় পাকা ভবন।ভেঙে ফেলা পাকা ভবনের পরিতেক্তত অংশ এক মাসের অধিক সময় ধরে পড়ে আছে গাংগাটিয়া বাজারে রাস্তায় যেন দেখার কেউ নেই।
গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম খালটির খনন কাজের উদ্বোধন করেন। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে খালটির খনন কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গাঙ্গাটিয়া বাজার এলাকায় প্রায় ৩০০ ফুটের মতো খনন কাজ অবশিষ্ট রয়েছে। খননকৃত খালটি ঘুরে দেখা যায় আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ দিকে শত শত মানুষের চলাচলে একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি ভেঙে খালে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

ডাংরি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে রিয়াদ জানান, ভেকু দিয়ে খাল খননে সময় রাস্তাটির পাশে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাটি ভরাট না করার কারনে রাস্তাটি ধসে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল হক জানান, ভেঙে ফেলা দোকানের পাকা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ রাস্তায় পড়ে থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। দ্রুত অপসারণের দাবি করে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
গাংগাটিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় ভেঙে ফেলা ভবনটি রাস্তায় পড়ে থাকায় চলাচলের অসুবিধা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বাজারের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে রাস্তার উপর পড়ে থাকা ভবনের অংশবিশেষ অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।
অটোরিকশাচালক সবুজ মিয়া জানান, রাস্তার উপরে ভেঙে ফেলা পাকা ভবন পড়ে থাকায় যানবাহন নিয়ে চলাফেরা করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। খাল খনন প্রকল্পের সভাপতি ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট সাইদুর রহমানের সাথে একাধিক বার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা আক্তার জানান, আমি নতুন এসেছি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

![]()

