ঢাকাসোমবার , ১২ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কবিতা ও গল্প
  6. কৃষি ও ঐতিহ্য
  7. খেলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. দূর্নীতি
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রশাসন
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

লেখাপড়ার পাশাপাশি গানের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে চায় বর্ষসেরা দীপা সরকার

মোঃ শাহজাহান ফকির
অক্টোবর ১২, ২০২৬ ৩:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : শত অভাব অনটনের মধ্য দিয়েও লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজের গানের গলাকে বাচিঁয়ে রাখতে চায় পিতৃহারা দীপা সরকার। বর্তমানে সে দীপ্তটিভির মার্কস অলরাউন্ডার গানের প্রোগ্রামে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে সারা বাংলাদেশে সেরা দশের একজন। এছাড়া নজরুল সংগীতে উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে এখন ময়মনসিংহ জেলা পর্যায়ে ফাইনালে ফলাফলেও প্রথম অর্জনে আশায় বুক বেধেছে।
লোক সংগীত, নজরুল সংগীত ও আধুনিক লোক গানেও একের পর একে ধাপ পেরিয়ে জীবনের সফলতার র্শীর্ষে উঠার এক সংগ্রামী স্বপ্ন তাঁর চোখে। শুধু গানের চর্চাই নয়, লেখাপড়াতেও থেমে নেই দীপা সরকার। নিজের জীবনকে প্রস্তুত করতে ও পিতৃহারা সংসারের হাল ধরে রাখতে সরকারি চাকুরী স্বপ্ন বুকে নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। সংসারের অভাব—অনটন ও সামাজিক বাধা ঘাত—প্রতিঘাত পেরিয়ে অদম্য চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে দীপা।
সে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশুল্লী ইউনিয়নের মুশুল্লী গ্রামের স্বর্গীয় ভজন চন্দ্র দাস ও কল্পনা রাণী দাসের একমাত্র কন্যা। জন্মনিবন্ধন ও প্রতিষ্ঠানিক কাগজপত্রে তাঁর নাম দীপা রাণী দাস। তবে গানের চচার্র কারণে সবাই তাকে দীপা সরকার বলে ডাকে। মুসুল্লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মুশুল্লী এন্ড কলেজ থেকে  জিপিএ ৫ পেয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তর শেষ করে এখন কিশোরগঞ্জ জেলার গুরুদয়াল কলেজে অর্থনীতি বিভাগে অনার্সে (দ্বিতীয় বর্ষ) অধ্যয়নরত।
শৈশব থেকেই তাঁর গান ভালো লাগতো। কখনও নজরুল সংগীত, লোক সংগীতসহ আধুনিক গানও মন দিয়ে শোনত এবং তাঁ মনে মনে ভিড় ভিড় করে চুপিসারে গাইতো। এক, দুই, তিন করে তাঁর গানের গলা প্রকাশ হতে থাকে পরিবারসহ প্রতিবেশী ও শিক্ষকদের নিকট। পরিবারসহ শিক্ষকদের কাছেও বাহবা পেতে থাকে। এভাবেই অনুপ্রেরণা পায় সে। কিন্তু ১৬ বছর বয়সে সে তাঁর বাবাকে হারিয়ে পেলে।
বাড়িতে একটি টিনশেডের ঘরে এক ভাই ও মাকে নিয়ে কোনমতে চলে জীবন—যাপন। মা কল্পনা রানী দাস একজন গৃহিনী। এরপরেও স্কুল—কলেজসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সংগীত ও গান পরিবেশন করে এলাকাসহ জেলা—উপজেলায় বেশ পরিচিতি লাভ করে দীপা সরকার নামে। তবে তাঁর কোন ওস্তাদ নেই। দেখে দেখে বা শুনে শুনেই এগিয়ে যায় গানের জগতে। বিশেষ করে নজরুল সংগীতে সে একজন ভালো শিল্পী। এ ক্ষেত্রে তাঁর একাধিক পুরষ্কার লাভ করে।
এ বিষয়ে মা কল্পনা রাণী দাস জানান, অনেক কষ্ট করে মেয়েকে এপর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আমি চাই আমার মেয়ে একজন দেশ সেরা শিল্পী ও একজন ভালো মানুষ হবে। তাঁর চাওয়াকে কখনও পিছু হাটতে দেয়নি। শত কষ্ট করে হলেও তাকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছি।
দীপা রাণী দাস ওরফে দীপা সরকার জানান, পরিবারের হাল ধরার পাশাপাশি গানকে নিজের মধ্যে বাচিয়ে রাখতে চাই। দেশ সেরা একনজ নজরুল সংগীত গায়ক হিসাবে সবার কাছে দোয়া চাই।

Loading

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “norsundanews24” কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।