ঢাকাসোমবার , ২২ জুন ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কবিতা ও গল্প
  6. কৃষি ও ঐতিহ্য
  7. খেলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. দূর্নীতি
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রশাসন
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

পাকুন্দিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম, মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই

Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ): কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পাকুন্দিয়া থানায় মামলা হয়েছে। তবে মামলা দায়েরের ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার রাতে আহতদের পরিবারের সদস্য আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন—উপজেলার কাহেতধান্দুল গ্রামের মোন্তাজ উদ্দীনের ছেলে মামুন, আবুল কালাম ও মাসুম; আব্দুল হকের ছেলে মোন্তাজ উদ্দীন এবং মামুনের স্ত্রী লিমা।

মামলা সূত্রে জানা যায়, কাহেতধান্দুল গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আম্বিয়া খাতুনের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী মোন্তাজ উদ্দীনের পরিবারের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ মে বিকেলে মোন্তাজ উদ্দীনের নেতৃত্বে অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আম্বিয়া খাতুনের বাড়ির উঠানে গিয়ে গালাগাল শুরু করে। এ সময় আম্বিয়া খাতুনের ছেলে সোহেল মিয়া প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত মামুন ও মাসুম তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সোহেল মিয়া গুরুতর আহত হন। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে আম্বিয়া খাতুন, তার স্বামী রমজান আলী, অপর ছেলে হৃদয়, শাহজাহান ও শাহজাহানের স্ত্রী ফারজানাকেও কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্ত মামুন ও আবুল কালাম আম্বিয়া খাতুন ও ফারজানাকে টেনে-হেঁচড়ে তাদের পরনের কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় আম্বিয়া খাতুনের গলা থেকে আধাভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন এবং ফারজানার গলা থেকে আধাভরি ওজনের আরেকটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে হৃদয় ও রমজান আলীকে ভর্তি করা হয়। সোহেল মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে কিশোরগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বিবাদীপক্ষের মামুন সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। তাদের দাবি, ঘটনার দিন বাদীপক্ষই প্রথমে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও তাদের বিরুদ্ধে আনা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম, শ্লীলতাহানি এবং স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, “মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত। ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Loading

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “norsundanews24” কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।