[ যানজট নিরসনে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস ]
শাহজাহান ফকির , নিজস্ব প্রতিবেদক: ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল উপজেলার মেরেঙ্গা চকমতি নামক স্থানে সড়কের উপর যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এর কারণে এই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। মহাসরকের উপর যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং বাজার কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষকে যানজটের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কিন্তু এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের নীরব ভূমিকা সুশীল সমাজে এর নিকট মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ সমস্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।
সরজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, মহাসড়কে উপর গরু ক্রেতা-বিক্রেতাদের অবাধে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং পথচারীদের অসতর্ক চলাচলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিনিয়ত ছোটখাটো দুর্ঘটনা সহ ২০ সেকেন্ডের রাস্তা এক ঘন্টাও পার হওয়া যাচ্ছে না। প্রতি রোববার এলেই মেরেঙ্গা চকমতি গরুর হাটের দিন এ বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় দূরপাল্লার যানবাহন সহ সকল যানবাহন ও যাত্রী সাধারণকে। এ যেন দূর্যোগের শেষ নেই। সড়কের দুপাশে সারি সারি গাড়ি পার্কিং ও গরু উঠানো ও নামানোর কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হওয়ায় জরুরি সেবার যানবাহনও আটকা পড়ে থাকে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ পথচারী, সবাই চরম দুর্ভোগের শিকার হন।
এই মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস ও সিএনজিচালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সড়কের ওপর বাজার বসার কারণে গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। হঠাৎ করেই সামনে মানুষ চলে আসে, এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।” তারা প্রশাসনকে কঠোর নজরদারি এবং আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান, যাতে সড়কের ওপর কোনোভাবেই যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও বাজার বসতে না পারে।
মেরেঙ্গা বাজার কমিটির লোকজনের সাথে কথা হলে তাঁরা জানান, এটি একটি ঐতিহ্যবাহী বিশাল গরুর হাট। হাটের দিন একটু আধটু যানজটের সৃষ্টি হয়েই থাকে। তবে গরু ব্যবসায়ীদের গাড়ীগুলো রাস্তা থেকে সরিয়ে অন্যত্র পার্কিং সহ যানজট নিরসনে আমরা নিজেরাই সবধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে নান্দাইল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ খোরশেদ আলম বলেন, মহাসড়কে যানজট নিরসনে আমরা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, ইতিমধ্যে নান্দাইল চৌরাস্তা এখন প্রায় যানজটমুক্ত। তবে মেরেঙ্গা চকমতি বাজার কমিটির সাথে আলোচনা করে যানজট নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। বাজার কমিটির পক্ষ থেকে হাটের দিন ট্রাফিকও বসানো হয়। এছাড়া গাড়ি পার্কিং এর জন্য অন্যত্র ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।


