নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে যখন আদর্শের চেয়ে সুবিধাবাদ অনেক বেশি দৃশ্যমান, তখন নীতি ও সততার এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন মুস্তাকিম আহামেদ। বিএনপি-জামায়াতের যুগপৎ আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, সাবেক ফুটবলার এবং জুলাই বিপ্লবের সম্মুখ সারির এই যোদ্ধা এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
অনেকের কাছে তিনি প্রয়াত জননেতা ওসমান হাদির সুযোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে রয়েছেন। তবে তাঁর শেকড় ময়মনসিংহের ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের পাড়াডাংরি গ্রামে হওয়ায়, নিজ এলাকার মানুষও তাঁকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছেন। এলাকার অনেকের দাবি, মুস্তাকিম আহামেদকে আগামীতে বড়হিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা ইশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে নেতৃত্বে দেখা যাক।
রাজনৈতিক জীবনে চরম প্রতিকূলতা ও আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হলেও মুস্তাকিম আহামেদ কখনো পিছু হটেননি। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে, সময় ব্যয় করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা এই নেতাকে বারবার হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজনীতিকে ব্যক্তিগত আখের গোছানোর মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম হিসেবেই দেখেছেন।
৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর যখন অনেকেই ব্যক্তিস্বার্থের হিসাব-নিকাশে মত্ত, মুস্তাকিম আহামেদ তখনো নিভৃতে মানুষের সেবা করে গেছেন। প্রচারের আড়ালে থেকে দেশপ্রেম ও মানবিকতার যে পরিচয় তিনি দিয়েছেন, তা সর্বমহলে প্রশংসিত।
তার সমসাময়িক রাজনৈতিক সহকর্মীদের অনেকেই আজ এমপি কিংবা বড় পদে আসীন হলেও মুস্তাকিম আহামেদ এখনো সাধারণ মানুষের কাতারে থেকে আদর্শ আঁকড়ে ধরে আছেন। ঢাকা সিটির কাউন্সিলর পদই হোক কিংবা জন্মভূমি ইশ্বরগঞ্জের কোনো নেতৃত্ব—সাধারণ মানুষ মনে করেন, মুস্তাকিম আহামেদের মতো সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের এখন বড্ড প্রয়োজন। দিনশেষে তিনি পদের চেয়ে জনগণের আস্থাকেই নিজের রাজনীতির বড় সম্পদ হিসেবে মনে করেন।
এ বিষয়ে মুস্তাকিম আহমেদ বলেন, “আমি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। আমি বৈষম্যহীন উন্নয়নশীল একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। ”

