জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ: স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজাম উদ্দিন তার পৈতৃক সূত্রে ২৫ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে, চাকুরি থেকে অবসরকালীন প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি তার সৎ ভাইয়ের কাছ থেকে কোদালিয়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং ১০৩৬ ও ১১০২ এবং আরএস দাগ নং ১৩৮৯ ও ১৪৫৭-এ আরও ৫৪ শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ শফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জমিটির মালিকানা দাবি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ: ভুক্তভোগী নিজাম উদ্দিন জানান, গত বছর থেকে জমিতে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এছাড়া, তার পরিবারকেও প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও জানান, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যে ভূমি অপরাধ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয়দের বক্তব্য: স্থানীয় দরবারি মোহাম্মদ রমজান আলী জানান, সাবেক সেনাসদস্য নিজাম উদ্দিনের ক্রয়কৃত সম্পত্তি নিয়ে তারা স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক করেছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকজন কোনো কারণ ছাড়াই জমিটিতে তাদের মালিকানা দাবি করে আসায় কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
অভিযুক্তের বক্তব্য: এ বিষয়ে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম জানান, ওই জমিতে তাদের অংশ রয়েছে। তাই তারা আদালতের মাধ্যমে নিজেদের দাবিকৃত জমি উদ্ধার করতে চান।

