নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন বক্তারা।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের এক পরামর্শ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভাটির আয়োজন করে সোশ্যাল কোহেশন নেটওয়ার্ক (এসসিএন)। এতে সহযোগিতা প্রদান করে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ) উম্মে হাবীবা মীরা। সভায় সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তব্য দেন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির পরিচালক স্বপন কুমার পাল, জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহমেদসহ অন্যরা।
স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির পরিচালক স্বপন কুমার পাল বলেন, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে সমাজে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে।
জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম ও তথ্যসেবার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক বার্তা প্রচারের মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া বাড়ানো সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ) উম্মে হাবীবা মীরা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে নারী, যুব এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদার করা হলে সমাজে সম্ভাব্য বিরোধ ও বিভেদ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা সামাজিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

